সবার জন্য
শুরু
KHAIGO দিয়ে গ্রাহক মোবাইলে খাবার অর্ডার দেন, রেস্টুরেন্ট রান্না করে, আর রাইডার বাসায় পৌঁছে দিয়ে টাকা নেন। এই পাতায় আছে কে কোন অ্যাপ চালান, একটা অর্ডার কোন পথে যায়, আর যে নিয়মগুলো সবার জানা দরকার।
- গ্রাহক খাবার হাতে পেয়ে রাইডারকে ক্যাশে টাকা দেন; আগে কিছু দিতে হয় না
- সবাই নিজের মোবাইল নম্বর আর SMS এ আসা ৬ সংখ্যার কোড দিয়ে ঢোকেন; কোনো পাসওয়ার্ড নেই
- রেস্টুরেন্ট আর রাইডারের অ্যাকাউন্ট KHAIGO খুলে দেয়; নিজে খোলা যায় না
- বিকাশ, নগদ বা কার্ডে অগ্রিম পেমেন্ট এখন নেওয়া হয় না
কে কোনটা চালান
চারটা অংশ, একই সিস্টেমে যুক্ত। একজনের কাজ সাথে সাথে অন্যদের পর্দায় চলে যায়।
| কে | কী চালান | কোথায় পাবেন |
|---|---|---|
| গ্রাহক | KHAIGO অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড) | khaigo.com/download/customer |
| রেস্টুরেন্ট | রেস্টুরেন্ট প্যানেল, ফোন, ট্যাব বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে | khaigo.com/partner/ |
| রাইডার | KHAIGO রাইডার অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড) | khaigo.com/download/rider |
| অপারেশন টিম | অপারেশন প্যানেল, কম্পিউটারের ব্রাউজারে | khaigo.com/admin/ |
একটা অর্ডার কোন পথে যায়
প্রতিটা ধাপে কে কী চাপেন, আর গ্রাহক তখন কী দেখেন।
- গ্রাহকঅর্ডার দেনখাবার বেছে "অর্ডার করুন" চাপেন। দাম, ডেলিভারি চার্জ আর মোট টাকা আগেই দেখেন।
- রেস্টুরেন্ট৩ মিনিটে নেয়প্যানেলে ঘণ্টা বাজে। রান্নার সময় বেছে অর্ডার নেয়, তারপর রান্না শেষে "খাবার তৈরি" চাপে।
- রাইডারখাবার তোলেনঅ্যাপে অফার আসে, ৩০ সেকেন্ডে নেন। রেস্টুরেন্টে কোড মিলিয়ে খাবার হাতে নেন।
- রাইডারপৌঁছে দেনগ্রাহকের হাতে খাবার দিয়ে ক্যাশ নেন, অ্যাপে "নিয়ে দিয়ে দিয়েছি" চাপেন। গ্রাহক রেটিং দেন।
অপারেশন টিম পুরো সময়টা চলমান অর্ডারের তালিকায় দেখে। কোথাও আটকে গেলে লাল চিহ্ন ওঠে, যেমন "রেস্টুরেন্ট নিচ্ছে না, ফোন করুন" বা "রাইডার নেই"।
যে নিয়মগুলো সবার জানা দরকার
| বিষয় | নিয়ম |
|---|---|
| পেমেন্ট | শুধু ক্যাশ অন ডেলিভারি। রাইডার ঠিক যত টাকা অ্যাপে লেখা, ততই নেন। |
| রেস্টুরেন্টের সাড়া | নতুন অর্ডার ৩ মিনিটের মধ্যে নিতে হয়। না নিলে অর্ডার নিজে থেকে বাতিল হয়, গ্রাহক জানতে পারেন। |
| প্যানেল খোলা | রেস্টুরেন্ট প্যানেল বন্ধ থাকলে দেড় মিনিটের মধ্যে গ্রাহকরা "এখন অর্ডার নিচ্ছে না" দেখেন। |
| পরপর দুটো ছুটে গেলে | একটার পর একটা দুটো অর্ডার সময়মতো না নিলে রেস্টুরেন্ট নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যায়। অপারেশন টিম ফোন করে কথা বলে আবার চালু করে। |
| রাইডারের অফার | একবারে একজন রাইডারকে ৩০ সেকেন্ডের জন্য দেখানো হয়। না নিলে পরের জনের কাছে যায়। |
| রাইডারের হাতে | একবারে একটাই অর্ডার। হাতে ৳২,০০০ এর বেশি ক্যাশ জমলে জমা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন ক্যাশ অর্ডার আসে না। |
| রাইডারের আয় | প্রতি ডেলিভারি ৳৩০ + প্রতি কিমি ৳৮, আর বখশিশের পুরোটা। |
| রেস্টুরেন্টের পাওনা | খাবার বিক্রি থেকে রেস্টুরেন্টের দেওয়া অফার আর KHAIGO কমিশন বাদ দিয়ে বাকিটা। কমিশনের হার প্যানেলের "হিসাব" পাতায় লেখা থাকে। |
| ডেলিভারি চার্জ | ৳২৫০ বা বেশি খাবারে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সবার জন্য ফ্রি। তারপর KHAIGO প্রো (মাসে ৳৩৯৯) সদস্যদের ফ্রি। |
| পয়েন্ট | প্রতি ১০০ টাকার খাবারে ৫ পয়েন্ট, ১ পয়েন্ট = ৳১, ওয়ালেটে জমে। |
| বন্ধুর কোড | প্রথম অর্ডারের সাথে ১০টা কুপন। বন্ধু প্রথম অর্ডারে ৳২০ ছাড়, খাবার পৌঁছালে কোডের মালিক ৳২০। |
| রাইডারের জমা | প্রতিদিনের ক্যাশ হাবে বা বিকাশ/নগদে; বিকাশ/নগদ হলে TrxID দিতে হয়। |
| রেস্টুরেন্টের টাকা | আগের দিনের পাওনা পরদিন পাঠানো হয়। |
| দেরি হলে | গ্রাহক সাপোর্টে ফোন করেন। সাপোর্ট দেখে প্রয়োজনে গ্রাহকের ওয়ালেটে ক্রেডিট দেয়। |
| শহর | গ্রাহক শুধু নিজের ঠিকানার শহরের রেস্টুরেন্ট দেখেন। |
ঢোকা: নম্বর আর SMS কোড
গ্রাহক, রেস্টুরেন্ট আর রাইডার সবাই একইভাবে ঢোকেন।
- নিজের ১১ সংখ্যার মোবাইল নম্বর লিখে কোড পাঠান চাপুন।
- কয়েক সেকেন্ডে SMS আসে: "KHAIGO কোড ১২৩৪৫৬"। কোডটা লিখুন। কোড ৫ মিনিট কাজ করে।
- গ্রাহক প্রথমবার ঢুকলে নিজের নাম দেন। রেস্টুরেন্ট আর রাইডারের নাম আগেই দেওয়া থাকে।
কেউ আটকে গেলে
গ্রাহক অ্যাপের "সাহায্য" থেকে সাপোর্টে ফোন করতে পারেন; রাইডার অ্যাপে গ্রাহক আর রেস্টুরেন্টকে সরাসরি ফোনের বোতাম আছে। রেস্টুরেন্ট বা রাইডার আটকে গেলে অপারেশন টিমকে ফোন করুন। সাধারণ সমস্যাগুলোর সমাধান আছে সমস্যা হলে অধ্যায়ে।